কর্মহীন মেস ও গৃহপরিচারিকা নারী শ্রমিকদের খাদ্য ও নগদ অর্থ সহযোগিতার দাবি

0
97
কর্মহীন মেস ও গৃহপরিচারিকা নারী শ্রমিকদের খাদ্য এবং নগদ আর্থিক সহযোগিতার দাবি
কর্মহীন মেস ও গৃহপরিচারিকা নারী শ্রমিকদের খাদ্য এবং নগদ আর্থিক সহযোগিতার দাবি

বগুড়া প্রতিনিধি – করোনায় কর্মহীন মেস ও গৃহপরিচারিকা নারী শ্রমিকদের খাদ্য সরবরাহ এবং নগদ আর্থিক সহযোগিতার দাবিতে বগুড়ায় মেস ও গৃহপরিচারিকা ইউনিয়নের মানববন্ধন ও স্মারকলিপি পেশ ।

বৃহস্পতিবার বেলা সাড়ে ১১টায় সাতমাথায় এই মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয় । শেষে জেলা প্রশাসক বরাবর স্মারকলিপি পেশ করা হয়।

সমাবেশে মেস ও গৃহপরিচারিকা ইউনিয়ন বগুড়া জেলার আহবায়ক শাহাজাদি বেগম এর সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন- উপদেষ্টা আমিনুল ইসলাম, শ্রমিক নেতা আব্দুল হাই, ফরহাদ খান এবং সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক শাহিনুর বেগম, লালমা খাতুন, মনোয়ারা বেগম প্রমুখ।

বক্তারা বলেন সরকার গত ২০২০সালের লকডাউনে সামান্য কিছু ত্রাণ দিলেও এবারে সরকারের পক্ষ থেকে ত্রাণ দেয়ার কোন উদ‍্যোগ কোথাও দেখা গেলোনা।

প্রধানমন্ত্রী লকডাউনে ক্ষতিগ্রস্থ শ্রমজীবি মানুষদের জন্য সারা দেশে জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে মাত্র সাড়ে ১০কোটি টাকা দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন যা শ্রমিজীবি মানুষের সাথে নিষ্ঠুর তামাশা করার সামিল। এটা শ্রমজীবী মানুষ কে নিয়ে হাস‍্যকর ছাড়া আর কিবা হতে পারে। গত বছরের লকডাউনের কারনে দেশে নতুন করে ২ কোটি ৪৫ লক্ষ মানুষ দরিদ্র হয়েছে।গবেষণা সংস্থা ‘সানেম’ নভেম্বর-ডিসেম্বরে জরিপ করে জানিয়েছিল দেশে দারিদ্র্য হার এখন ৪২ শতাংশ। করোনার আগে যা ছিল ২০/ ২২ ভাগ। আর দ্বিতীয় ঢেউয়ের পর এখন সেটা কোথায় পৌঁছেছে তা আমরা জানি না। যদি ৫০ ভাগও হয় এবং জনসংখ্যা যদি ১৬ কোটিও ধরি, তাহলে দেশে দরিদ্র মানুষের সংখ্যা এখন আট কোটি। অথচ আট কোটি মানুষের জন্য বরাদ্দ সাড়ে ১০ কোটি টাকা। প্রধানমন্ত্রী সাড়ে দশ কোটি টাকা অনুদান প্রত্যেক দরিদ্র মানুষের ভাগে পরে দেড় টাকা । এটা তামাশা নয়তো আর কি?

প্রধানমন্ত্রী সাড়ে দশ লক্ষ পরিবারকে আড়াই হাজার টাকা করে দেয়ার ঘোষণা দিয়েছেন। গতবারে ছিটেফোটা দু একজন ছাড়া অধিকাংশ মানুষই এ টাকা পায়নি। দলীয় লোকজনের পকেটে এ টাকা গিয়েছে আমরা সংবাদ মাধ্যমে তা জেনেছি। এবারেও এ টাকা শ্রমজীবি মানুষজন পাবে কি না তা নিয়ে আমরা শঙ্কিত। তাই স্রমজীবী মানুষদের বাঁচাতে রেশন, ১০ টাকা দরে চাল ও প্রতি পরিবারকে ন‍‍্যূনতম ৫ হাজার টাকা সহায়তা দেয়ার আহবান জানান।

একই সাথে বক্তাগণ জেলা- উপজেলা হাসপাতালে করোনা টেস্ট, সেন্ট্রাল অক্সিজেনের ব‍্যবস্থা এবং করোনা রুগী সহ সকল রোগীদের সুচিকিৎসা নিশ্চিত করার কার্যকর উদ‍্যোগ গ্রহণ করার জন্য কর্তৃপক্ষের নিকট দাবি করেন।

FB Comments

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে