পুঁজিবাজারকে শক্তিশালী প্রতিষ্ঠান হিসেবে দেখতে চায় সরকার: অর্থমন্ত্রী

0
104

অনলাইন ডেস্ক – স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী : বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের আলোকে বাংলাদেশের পুঁজিবাজারের অর্জন ও সম্ভাবনা শীর্ষক সেমিনারে অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তাফা কামাল বলেন, সরকার পুঁজিবাজার উন্নয়নে সব রকম সহায়তা করে যাচ্ছে। বাজার সংশ্লিষ্টদের মতামতের ভিত্তিতে এবার বাজেটেও নীতি সহায়তা দেয়া হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী চান দেশের উন্নয়নের সাথে পু্জিবাজার সমানতালে এগিয়ে যাক।

সেমিনারে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন বিএসইসির চেয়ারম্যান শিবলী রুবাইয়াত উল ইসলাম বলেন, বঙ্গবন্ধু স্বাধীনতার পরপরই মানুষের জীবনমান উন্নয়ন ও দেশের অর্থনৈতিক মুক্তির জন্য একের পর এক উদ্যোগ নিয়েছেন। প্রয়োজনীয় প্রতিষ্ঠান গড়েছেন। তিনি বেঁচে থাকলে দেশের উন্নয়ন আরো বেগবান হতো।

তিনি বলেন, বর্তমান প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় পুঁজিবাজার সঠিকপথে আছে। বিশ্বব্যাংক পুজিবাজারের আইটি অবকাঠামো উন্নয়নে অর্থায়ন করবে। এটা কয়েকমাসের মধ্যে বাস্তবায়ন হবে বলে আশা করেন তিনি। এতে বাজার আরো গতিশীল হবে, স্বচ্ছ হবে বলে আশা করেন বিএসইসি চেয়ারম্যান। তখন সাধারণ বিনিয়োগকারীদের গুজব ছড়িয়ে আতঙ্কিত করে কারসাজি কমবে বলে মনে করেন তিনি।

বাজারে বিনিয়োগের জন্য নতুন নতুন উদ্ভাবনী পণ্য আসছে এবং আরো আসবে বলে জানান তিনি।

শিবলী রুবাইয়াত উল ইসলাম বলেন, ওটিসি মার্কেটে গতিশীল করছি। চারটি প্রতিষ্ঠানকে মূল মার্কেটে এসেছে। কয়েকটি প্রতিষ্ঠান এক্সিট পলিসি অনুযায়ী এক্সিট চায়, কেউ কেউ এসএমই মার্কেটেও আসতে চেয়েছে।

দেশের প্রধান পুঁজিবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) চেয়ারম্যান ইউনুসুর রহমান বলেন, বর্তমানে ব্যাংক আমানতের সুদহার অনেকটা কমায় পুঁজিবাজারের সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। বঙ্গবন্ধুর জন্মশত বার্ষিকী উপলক্ষে ডিএসই আয়োজিত সেমিনারে ডিএসই পরিচালক রকিবুর রহমান বলেন, দুঃখজনক হলেও সত্যি ডিএসইর প্রধান কার্যালয়ে বঙ্গবন্ধুর ছবি স্থাপন করতে লেগে গেছে ৪৮ বছর।

অনুষ্ঠানে অর্থ মন্ত্রণালয়ের আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের সিনিয়র সচিব মো. আসাদুল ইসলাম বলেন, পুজিবাজার নিয়ে আরো গবেষণা জরুরি। দেশের উন্নয়নের সাথে এ বাজার কিভাবে এগিয়ে যেতে পারে তার জন্য করণীয় ঠিক করতে হবে।

সেমিনারে মূল প্রবন্ধে ডিএসইর সিওও সাইফুল ইসলাম মজুমদার, মাথাপিছু আয়, জিডিপি প্রবৃদ্ধি, মূল্যস্ফীতি, বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ, গড় আয়ু, শিশু মৃত্যুহারসহ বিভিন্ন সূচকে বাংলাদেশ পাকিস্তানের চেয়ে অনেক এগিয়ে। বঙ্গবন্ধু সময়মত বুঝতে পেরেছিলেন রাজনৈতিক স্বাধীনতা না হলে, অর্থনৈতিক মুক্তির পথ উন্মুক্ত হবেনা। এখন তার সেই দর্শন পুরোপুরি প্রমাণিত।

তিনি বলেন,করোনার মধ্যেও এশিয়া প্যাসিফিক অঞ্চলের মধ্যে ভালো প্রবৃদ্ধি হয়েছে ডিএসইট লেনদেন ও সূচকে। বাজারে এখন তিনটি প্রোডাক্ট আছে, আরো অনেকগুলো বিনিয়োগযোগ্য পণ্য নিয়ে আসা সম্ভব বলে জানান তিনি। তার মতে কার্যকর উদ্যোগ নিলে দেশের পুজিবাজারকে এমার্জিং পর্যায়ে নিয়ে যাওয়া সম্ভব।

FB Comments

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে