শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খোলার দাবীতে গাইবান্ধায় গণতান্ত্রিক ছাত্র কাউন্সিলের মিছিল ও সমাবেশ

0
78
শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খোলার দাবীতে গাইবান্ধায় গণতান্ত্রিক ছাত্র কাউন্সিলের মিছিল ও সমাবেশ
শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খোলার দাবীতে গাইবান্ধায় গণতান্ত্রিক ছাত্র কাউন্সিলের মিছিল ও সমাবেশ

গাইবান্ধা প্রতিনিধি -অবিলম্বে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দিয়ে বিপন্ন শিক্ষা বাঁচাও, শিক্ষার্থীদের বাঁচাও, দেশ বাঁচাও এই দাবিতে গণতান্ত্রিক ছাত্র কাউন্সিল গাইবান্ধা জেলা শাখার উদ্যোগে আজ বৃহস্পতিবার বেলা ১২ টায়, ১নং ট্রাফিক মোড়ে সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।

সমাবেশ শেষে বিক্ষোভ মিছিল শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে।

ছাত্রনেতা শামিমআরা মিনার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সমাবেশে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশের সাম্যবাদী আন্দোলন গাইবান্ধা জেলা শাখার সদস্য সচিব মনজুর আলম মিঠু। ছাত্র নেতা ওয়ারেছ মন্ডল রাংগা, ক্ষুদিরাম স্মৃতি পাঠাগারের সংগঠক মারুফ আকন্দ।সংহতি জানিয়ে বক্তব্য রাখেন কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের জেলা সভাপতি এডভোকেট মোস্তফা মনিরুজ্জামান, সাবেক ছাত্রনেতা সাংবাদিক ময়নুল ইসলাম, বিপ্লবী ছাত্রমৈত্রীর জেলা সংগঠক তৌহীদ।

বক্তাগণ বলেন প্রায় দুই বছর যাবত করোনা ভাইরাসের তাণ্ডব চলছে, আরো কতদিন চলবে নিশ্চিত করে বলা যায়না। আরো অনেকদিন আমাদেরকে এই ভাইরাস নিয়েই বসবাস করতে হবে। ফলে সকল মানুষকে টিকা প্রদান করে স্বাস্থবিধি অনুসরন করে চলতে হবে।

কিন্তু এখন পর্যন্ত সরকার পর্যাপ্ত করোনা টেস্ট ও সুচিকিৎসা নিশ্চিত করতে পারেননি এবং ৮০% মানুষকে টিকা দেয়ার ঘোষণা দিলেও তা বাস্তবায়নের জন্য কোনো কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করেনি। অথচ করোনার অযুহাতে প্রায় দুই বছর ধরে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রেখে গোটা শিক্ষা ব্যবস্থাকে প্রায় ধ্বংস করেছে ও শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ জীবনকে অনিশ্চয়তার দিকে ঠেলে দিয়েছে।

অনেক শিক্ষার্থী মানুষিক সমস্যায় ভুগছেন বা হতাশা বাড়ছে। অনলাইন ক্লাস এবং অ্যাসাইনমেন্টর নামে শিক্ষার্থীদের হাতে অ্যান্ড্রয়েড ফোন দেয়ার কারণে শিক্ষার্থীরা পাবজি সহ বিভিন্ন গেমে ঝুকে পড়ছে এবং অভিভাবকদেরও আর্থিক ব্যয় বেড়েছে ।

তাই বক্তাগণ বলেন প্রত্যেক শিক্ষার্থী ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান সংশ্লিষ্টদের অগ্রাধিকার ভিত্তিতে টিকা নিশ্চিত করা, সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেয়া, শিক্ষার্থীদের করোনাকালীন গত এক বছরের বেতন-ফি মওকুফ করা, কিন্ডারগার্টেনসহ অন্যান্য নন-এমপিও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-কর্মচারীদের গত এক বছরের বেতন-ভাতা সরকারকেই দিতে হবে এবং আর্থিক প্রণোদনা দিয়ে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো চালু করতে হবে।

অবিলম্বে SSC এবং HSC ও অনার্স- মাষ্টার্স পরীক্ষা ক্লাসরুমে নেয়ার কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সরকারের প্রতি আহবান জানান। দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত ছাত্র- শিক্ষক- অভিভাবকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে গণআন্দোলন গড়ে তোলার আহবান জানান।

FB Comments

Leave a Reply