কলারোয়ায় পরিকল্পিত ভাবে ভিটে বাড়ি থেকে উচ্ছেদের পাঁয়তারার অভিযোগ

0
37

সেলিম খান জেলা প্রতিনিধি – গত মঙ্গলবার সন্ধ্যায় কলারোয়া রিপোর্টার্স ক্লাবে এক জনাকীর্ণ সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন উপজেলার রায়টা গ্রামের মৃতঃ বেলায়েত আলীর পুত্র মোঃ কামরুল হাসান। তিনি লিখিত বক্তব্যে বলেন কলারোয়ার কুশোডাঙ্গা ইউনিয়নের রাইটা গ্রামের প্রাচীন বটগাছটি মানুষের গলার কাঁটা হয়ে দাঁড়িয়েছে মালিকরা বারবার অভিযোগ জানালেও কোনো ব্যবস্থা নেননি সাবেক চেয়ারম্যান মৃতঃগোবিন্দ বসুর স্ত্রী মায়া রানী। ২০২০ সালে আম্ফান ঝড়ে গাছের উপরের অংশ ভেঙে পড়ে পার্শ্ববর্তী আরশাদ আলীর ঘরের উপর। সেই ঘরটি জরাজীর্ণ অবস্থায় থাকলেও কোনো ক্ষতি পূরণ পাননি। সে সময় থেকে সতর্ক করে আসছেন কামরুল হাসান।

রবিবার (৬ জুন) বেলা সাড়ে ৪ টায় বটগাছের বাকি একাংশ ভেঙে পড়ে পাশের জমির মালিক কামরুল হাসানের বাড়ির ছাদে। ভেঙ্গে যায় বিল্ডিংয়ের বিভিন্ন অংশ। গাছ পড়ার কারণে তার বিল্ডিংটি অকেজো হয়ে গেছে।এ বিষয়ে কামরুল হাসান মায়ারানী বসুকে অভিযুক্ত করে কলারোয়া থানায় একটি অভিযোগ করেছেন। তিনি লিখিত বক্তব্যে বলেন মায়ারানীর জামাতা পুলিশের কর্মকর্তা হওয়ায় বিষয়টি নিয়ে প্রতিকার তো করেনি উল্টো হুমকি-ধামকি ও ভয়ভীতি প্রদর্শন করে আসছে। উক্ত ব্যক্তির ভয়ে এলাকার কোন মানুষ মুখ খোলে না।

তিনি আরও বলেন, আমি বিভিন্ন ভাবে বারংবার তাদের কাছে গাছের ডাল কেটে নেওয়ার জন্য অনুরোধ করলেও তারা কর্ণপাত করেননি। কামরুল হাসান সাংবাদিকদেরকে কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, আমি তিন সন্তান স্ত্রীকে নিয়ে বসবাস করি এই বাড়িতে।এখন আমি পরিবারসহ রাস্তায় নেমে গিয়েছি। আমার থাকার আর কোন ঘর নেই। তাদের কাছে প্রতিকার চাইতে গেলে তারা আমাকে বলে তাদের গাছ তলায় কেন আমি ঘর উঠাইছি। কিন্তু এটাতো আমার নিজের জমি। আমি তাদেরকে বারবার আমার ঘরের উপর থেকে গাছ সরিয়ে নিতে বলেছি তারা নেয়নি। বারবার বলেছে ক্ষতি হলে দেখবো। ক্ষতিগ্রস্থ কামরুল হাসান সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে মাননীয় আইজিপি ও সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে এই ক্ষতির প্রতিকার চেয়েছেন।সংবাদ সম্মেলনে প্রতিবেশী নাজিমউদ্দিন গাজী উপস্থিত ছিলেন।

FB Comments

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে